Skip to main content

Posts

নিয়ম মানলে সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ হবেই- গাড়ি চালাতে যা যা লক্ষ্য রাখতে হবে

গাড়ি চালাতে যা যা লক্ষ রাখতে হবে সেফ ড্রাইভিং করতে কি করবেনঃ #safedrive # সেফ ড্রাইভিং সেফ ড্রাইভিংঃ সেফ ড্রাইভিং করতে নিয়ম মানতেই হবে। এখানে খামখেয়ালী করার সুযোগ নেই। সঠিক নিয়ম না মানার কারনেই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।  সড়ক দুর্ঘটনা মুল কারন  চালকের অদক্ষতা খামখেয়ালী অতিরিক্ত গতিকে মুল কারন । তাহলে কি করা উচিত? কি কি  করা উচিত মহাসড়কে গাড়ি চালাতে অনেক খেয়াল হিসেবের দরকার কিন্তু আমাদের দেশের চালকেরা সেটি না মানার কারণেই সড়ক দুর্ঘটনা বেরে চলছে। সেফ গাড়ি চালাতে মহাসড়কে যা যা মানতেই হবেঃ # অভারটেক করতে গেলে চালকের পক্ষে ৮০% থাকতে হবে # মোড় বাকে গতি নিয়ন্ত্রন করতে হবে # রাস্তার অবস্থা বুজে গতির উপর খেয়াল রাখতে হবে। # অন্য চালক ভুল করে অভার টেক করতে গেলে তাকে যেতে দিতে সাহায্য করতে হবে। # ক্লান্ত অবস্থায় বা মানসিক চাপ থাকলে গাড়ি চালানো যাবেনা # গাড়ির ফিটনেস ১০০% স ঠিক রাখতে হবে # সব সময় নেগেটিভ ধারনা রাখতে হবে অনুমান করে গাড়ি চালানো যাবেনা এছাড়া আমাদের দেশে রাস্তা স হ নানা স মস্যা এই দুরঘটনার  কারন সেগুলোকে বন্ধ করতে হবে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ...

দুটি কারনে সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ করা যাচ্ছেনা

 দুটি কারনে সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ করা যাচ্ছেনা:  #  চালকের বেপরোয়া মনোভাব  # অতিরিক্ত গতির কারণে   এই দুটি তাদের মানসিকতার ব্যাপার ইচ্ছের ব্যাপার। তাহলে তারা এই দুটি ইচ্ছে কেন থামাতে পারছেনা সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। এই দুটি বিষয় মনের সাথে জড়িত তাহলে কি মনের চিকিৎসা জ্রুরি? সেটি যদি হয় তাহলে সে লক্ষে কাজ করলেই হয়তবা জাতি কিছুটা হলে রাস্তায় অকাল মরণের হাত থেকে বাঁচতে পারবে। আর সময় নেই পদক্ষেপ না নিলে আরো বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। #সেফ ড্রাইভ  করতে যা মানতে হবেইঃ  গাড়ি চালাতে যান্ত্রিক নিয়মের বাইরে গেলে তো ভিন্ন কিছু ঘটবেই।  অতিরিক্ত গতি থেকে গাড়ি সামলাতে হবে । রাস্তার নির্দিষ্ট গতিতে চালাতে বাধ্য করতে হবে। সেখানে আইনের প্রয়োগ ঘটাতে হবে। বাকে বেশি দুরঘটনা ঘটে থাকে তাই বাক গুলোকে প্রশস্ত করতে হবে। রাস্তার পাশে সংকেত চোখে যেন পরে সে  লক্ষে কাজ করতে হবে। ওভারটেক করতে গিয়ে হুরাহুরি বাদ দিতে হবে আপনার পক্ষে যদি ৯০%  যদি না থেকে থা হলে সেই কাজটি করবেননা  ড্রাইভিং করতে গিয়ে  অনুমানের দাম নেই অনুমান করে ধা...

এসি ঠাণ্ডা কম ? গাড়ির এসির কুলিং বাড়াতে যা করতে হবে- ভিডিও

আপনার গাড়ি কি এসি ঠান্ডা  কম হয়? জ্যামে দাড়িয়ে থাকলে ঠান্ডা হয়না ? আবার হঠাৎ ঠান্ডা ছেড়ে দেয়। কি কারনে কেন। এসিতে কম ঠান্ডা হওয়ার মুল কারন হল আপনার এসির কম্পেসরটি ক্যামন ।  যদি অতি পুরনো হয় বা অনেক আগের মডেল এছারা আপানার কুলিং কন্ডেসর পরিষ্কার করেছে কতদিন আগে। কুলিং কন্ডেসর এর ভেতরে অনেক ধুলোবালি জমে কাদায় পরিণত হয়। এটার ভেতরে কাদা জমলে বরফ গুলো জমতে পারেনা। এটার জন্য  পারফমেন্স নির্ভর করে। এছাড়া সামনের কন্ডেন্সরে অনেক ধুলোবালি জমে  ঠান্ডা কমে যায়। এছাড়া সামনের ফ্যানটি অটো থাকলে অনেক সময় অটো হতে হতে ইঞ্জিন হিট হয়ে যায় তাই জ্যামে থাকলে গরম বাতাস বের হয়। ভাল কুলিং পেতেঃ  #সবসময় সামনের কন্ডেন্সরে বেশি বেশি পানি মারুন # বছরে অন্তত ১বার  কুলিং কন্ডেসর পরিষ্কার ক্রুন। # এসির কম্পেসরটি পুরনো  হলে কোরসা কম্পেসর লাগাতে পারেন। এসির থারমস্টাট  অটো এ্যাডজাস্ট থাকলে তারাতারি অটো হবে তাতে এসির কম্পেসরটি ভাব্ল থাকবে। ভাল গ্যারেজ থেকে গ্যাস রিফিল করুন । কারন যারা গ্যাস ভরে তারা অনেকই পরিমাণ মত গ্যাস দেয়না। আর জানতে ভিডিও...

গাড়ি চালাতে কি কি খেয়াল রাখা জরুরি -live how to drive safely

গাড়ি চালাতে কি কি খেয়াল রাখা জরুরি -live how to drive safely

গাড়ীর এসি ভাল রাখতে কি করনীয়

গাড়ীর এসি ভাল রাখতে কি করনীয় ১। ভাল কম্পেস্রর ব্যবহার করতে হবে ২। গাড়ির ফ্যান ঠিক চলছে কিনা ও ভাল করে ঘুরছে কিনা লক্ষ্য করুন ৩।কন্ডেন্সার এর মধ্যে ধুলোবালি জমে থাকে তা প্রেসার দিয়ে পানি মেরে পরিষ্কার রাখা ৪। এসির পাইপ গুলো পরিষ্কার রাখা ৫। কুলিং চেম্বারে অনেক পরিমাণ ধুলোবালি জমে কুলিং চেম্বার বছরে ১ বার পরিষ্কার করা ৬।ভাল গ্যাস রিফিল করা ৭।ফিল্টার ও কুলিং চেম্বার এর নিচে ফ্যান ক্লিন রাখা ৮। সপ্তাহে অন্তত ১ দিন রেডিওটার ও কন্ডেন্সারে প্রেসারে পানি দেয়া এছাড়া থারমোস্টাট ঠিক মত ওটো হচ্ছে কিনা সেটাও দেখবেন কারন অটো ঠিকমত না হলে কম্পেসারের উপর চাপ পরে তাতে অনেক সমস্যা হতে পারে এই কাজ গুলো করলে আপনার এসি সুপার কুল হবে ব লে আশা রাখি। এছাড়া ভাল টেকনিশিয়ান দ্বারা গাড়ি কাজ করাবেন ভাল গ্যাস ১৩৪ রিফিল করবেন। Car AC# car ac bd লেখা কপি করলে অবশ্যই ক্রেডিট দিবেন safedrivebd লাইসেন্স পেতে

গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতরে যন্ত্রাংশ পরিচিতি

গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতরে  কি থাকে?  যারা ড্রাইভিং জানি তাদের মিনিমাম এই টুকু জানা থাকতে হয়।  গাড়ির ইঞ্জিনের রিং পিস্টন এর কাজ, রিং কি পিস্টন কি? কিভাবে কাজ করে? একটি ইঞ্জিনে কি কি থাকে এগুল জানলে অনেক কাজ সহজ হয়। ইঞ্জিনের মেইন যা যা থাকে তা হল রিং পিস্টন, চ লুন আমরা সংক্ষেপে  ইঞ্জিনের ভেতরের অংশ ধেখে আসি। ভিডিতে   https://youtu.be/JnBgsrhgNfU গাড়ি ও ড্রাইভিংএর সব জানতে আমাদের চ্যানেলটি   Subscrib  করুন..  safedrivebd Earn free bitcoin